ভার্জিন কোকোনাট অয়েল

In StockSKU: VARJIN-KOKONAT-OZEL
59 sold recently
700
ভার্জিন কোকোনাট অয়েল ১৬ আনা আস্থা | সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ ছাড়া নারকেল তেল প্রকৃতির সবচেয়ে বহুমুখী উপহারগুলোর একটি। শরীরের ভেতরে ও বাইরে — দুই দিক থেকেই এটি অসাধারণ কার্যকর। ১৬ আনা আস্থা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তৈরি দুটি ভিন্ন ধরনের নারকেল তেল নিয়ে এসেছে — একটি খাওয়ার জন্য, একটি চুল ও শরীরের যত্নের জন্য।
GM2 options
Cash on Delivery
Fast Delivery Nationwide
100% Authentic Products
Easy Returns

Product Details

ভার্জিন কোকোনাট অয়েল — খাওয়ার উপযোগী

ভার্জিন কোকোনাট অয়েল তৈরি হয় তাজা নারকেলের দুধ থেকে, কোনো তাপ বা রাসায়নিক ছাড়াই। এটি সম্পূর্ণ অপরিশোধিত ও প্রাকৃতিক অবস্থায় থাকে বলে এতে নারকেলের সমস্ত পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে। হালকা নারকেলের সুবাস ও স্বচ্ছ রঙ এর বিশুদ্ধতার প্রমাণ।

খাওয়ার উপকারিতা —

শরীরে ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। হজমশক্তি উন্নত করে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে এবং সারাদিন এনার্জেটিক রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় কারণ এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখে। ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন —

রান্নায় সাধারণ তেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করুন। সকালে ১ চামচ সরাসরি খেতে পারেন। চা, কফি বা স্মুদিতে মিশিয়ে খাওয়া যায়। সালাদ ড্রেসিং হিসেবেও দারুণ কাজ করে।

মূল্য: ১,৬০০ টাকা প্রতি লিটার


কোকোনাট অয়েল — চুল ও শরীরের যত্নে

এই কোকোনাট অয়েল বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য। চুল ও ত্বকের গভীরে পুষ্টি পৌঁছে দিতে এটি অত্যন্ত কার্যকর। কোনো কেমিক্যাল বা সুগন্ধি যোগ না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক অবস্থায় তৈরি।

চুলের যত্নে —

চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুল পড়া কমায়। মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। চুলকে গভীর থেকে পুষ্টি দেয়, চুল হয় মসৃণ, উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর। খুশকি ও মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করে। রোদ ও দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামত করে।

ত্বকের যত্নে —

শরীরের ত্বককে গভীর থেকে আর্দ্র ও কোমল রাখে। ত্বকের রুক্ষতা, শুষ্কতা ও ফাটা দূর করে। ত্বককে উজ্জ্বল ও তারুণ্যময় রাখে। ঠোঁট ফাটা, গোড়ালি ফাটা ও কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে কার্যকর। শেভিংয়ের পর ত্বকের জ্বালাপোড়া কমায়। শিশুদের ত্বকের মালিশেও নিরাপদ ও কার্যকর।

কীভাবে ব্যবহার করবেন —

রাতে ঘুমানোর আগে চুলের গোড়ায় ও মাথার ত্বকে মালিশ করুন। গোসলের আগে ৩০ মিনিট চুলে লাগিয়ে রাখুন। গোসলের পরে শরীরে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করুন।